ব্রেকিং নিউজ

ইরান যুদ্ধ চায় না, তবে আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেওয়া হবে: প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান

ইরান যুদ্ধ চায় না, তবে আগ্রাসনের কঠোর জবাব দেওয়া হবে: প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানছবি: সংগৃহীত

প্রতিবেদন: সিরাজুল ইসলাম / শাহজাদপুর / প্রান্ত বাংলা নিউজ

কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির লারাক দ্বীপে মার্কিন বিমান হামলার তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে স্পষ্ট ও কঠোর বার্তা দিয়েছেন ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় উল্লেখ করেছেন যে তাঁর দেশ কোনো অবস্থাতেই নতুন করে যুদ্ধ কিংবা রক্তক্ষয় চায় না, তবে জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতার ওপর যেকোনো ধরনের বহিঃআগ্রাসনের মুখে ইরান কখনোই নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করবে না। সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনে যোগদানের উদ্দেশে রওনা দেওয়ার প্রাক্কালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

আরও পড়ুন: আইফোন কিনতে দেড় বছরের সন্তানকে লাখ টাকায় বিক্রি, আটক বাবা

প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান স্পষ্টভাবে সতর্ক করে বলেন, ইরানের ভৌগোলিক সীমানা, আকাশসীমা কিংবা কোনো কৌশলগত স্থাপনায় আঘাত হানা হলে আগ্রাসনকারী পক্ষকে চরম ও সিদ্ধান্তমূলক জবাবের মুখোমুখি হতে হবে। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে উদ্দেশ্য করে আরও উল্লেখ করেন, মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের চলমান ভূরাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও সামরিক সংঘাত কোনো পক্ষের জন্যই ইতিবাচক কিংবা কল্যাণকর ফলাফল বয়ে আনবে না। টেকসই শান্তি বজায় রাখতে হলে বিদেশি শক্তির অযাচিত সামরিক হস্তক্ষেপ ও উসকানিমূলক তৎপরতা অবিলম্বে বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।

উল্লেখ্য, লারাক দ্বীপে মার্কিন বাহিনীর আকস্মিক বিমান হামলার তাৎক্ষণিক প্রতিশোধ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের সামরিক সক্ষমতার প্রমাণ দেয় তেহরান। হামলার পরপরই ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) পার্শ্ববর্তী জর্ডানের ভূখণ্ডে অবস্থিত দুটি গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে একযোগে ব্যাপক ড্রোন ও দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলা পরিচালনা করে। একের পর এক পাল্টাপাল্টি এই সামরিক পদক্ষেপের কারণে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে চরম যুদ্ধ আতঙ্ক ও সামরিক উত্তেজনা বিপজ্জনক মাত্রায় পৌঁছেছে।

আরও পড়ুন: কেশবপুরে জানাজা চলাকালে ইমাম ও চিকিৎসকের মোটরসাইকেল চুরি

আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক ও সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের লারাক দ্বীপের নিয়ন্ত্রণ ও উপসাগরীয় অঞ্চলে বাণিজ্যিক নৌপথের নিরাপত্তা নিয়ে দুই পরাশক্তির এই সাম্প্রতিক সরাসরি সংঘাত বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য নতুন করে বড় ধরনের হুমকি সৃষ্টি করেছে। সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়া রোধ করতে এখন আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক মধ্যস্থতার দিকেই তাকিয়ে রয়েছে বিশ্ব।

সূত্র: আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা ও মধ্যপ্রাচ্য রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণ ডেস্ক

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

প্রান্ত বাংলা নিউজে আপনাকে স্বাগতম। মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে শালীনতা বজায় রাখুন। কোনো প্রকার অশালীন, হিংসাত্মক বা বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকুন। ধন্যবাদ।

নবীনতর পূর্বতন